Who will be next stive jobs

অনেক দিন ধরেই একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন বিশেষজ্ঞরা। কে হচ্ছেন পরবর্তী স্টিভ জবস? উত্তর বেছে নেওয়ার তালিকাটি খুব বেশি বড় নয়। কিন্তু প্রশ্নটির নির্ভরযোগ্য উত্তর নেই কারও কাছে ।
২০১১ সালের ৫ অক্টোবর অ্যাপল সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস মারা যাওয়ার পর থেকে এ প্রশ্নটি প্রযুক্তি বিশ্বে অনেক আলোচনা হয়েছে। কারও উত্তর জেফ বেজোস, কারও বা মার্ক জাকারবার্গ আবার কেউ প্রশ্নটির খুব সহজ ভেবে হেঁটেছেন বিশ্লেষণের পথে। আবার অনেকের মতে, প্রযুক্তি বিশ্বে এখনো স্টিভ জবসের মতো মেধাবী, ভবিষ্যত্দ্রষ্টা, ব্যবসায়ী ও রহস্যময় ব্যক্তিত্বের দেখা মেলেনি।

১৯৭৬ সালে নিজেদের বাড়ির গ্যারেজে বন্ধু স্টিভ ওজনিয়াককে নিয়ে ‘অ্যাপল’ প্রতিষ্ঠা করেন স্টিভ জবস। এরপর মাত্র এক দশক না পেরোতেই অ্যাপলকে দাঁড় করিয়ে ফেলেন প্রযুক্তিপণ্যের নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে। নিজে প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করবেন বলে ১৯৮৫ সালে স্টিভ অ্যাপলে নিয়ে এসেছিলেন পেশাদার একজন প্রধান নির্বাহীকে। কিন্তু বোর্ডরুমের রাজনীতির শিকার হয়ে নিজের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান থেকে সেই প্রধান নির্বাহীর কাছেই চাকরিচ্যুত হন তিনি। এরপর মাত্র এক দশকের মাথায় বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি অ্যাপল লোকসান দিতে দিতে দেউলিয়া হওয়ার উপক্রম হয়। ১৯৯৭ সালে আবার তাঁকে অ্যাপলে ফিরিয়ে আনা হয় এবং এরপর স্টিভ শূন্য থেকে আবার অ্যাপল গড়ে তুলতে শুরু করেন। এরই মাঝে তিনি তৈরি করেন পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিও এবং সফটওয়্যার কোম্পানি নেক্সট। ১৯৯৭ থেকে ২০১১—এই ১৪ বছরে স্টিভ জবস অ্যাপলকে শূন্য থেকে গড়ে তোলেন বিশ্বের ১ নম্বর প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান হিসেবে। প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনা হিসেবে স্টিভ অ্যাপলের দুটি প্রধান ধারা ঠিক করে নেন। একটি হলো পুরোনো কর্মক্ষেত্র অর্থাত্ কম্পিউটার, আর দ্বিতীয়টি হলো ইলেকট্রনিক ভোগ্যপণ্যের ব্যবসা। ২০০১ সালে আইপডের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ভোগ্যপণ্যের ব্যবসায় আসে অ্যাপল। এরপর এতে যোগ হয় আইটিউনসভিত্তিক গানের ব্যবসা এবং এরপর যোগ হয় অ্যাপল টিভি ও আইফোন।

প্রযুক্তিবিষয়ক ব্লগ কাল্ট অব ম্যাকের সম্পাদক ও ‘‘ইনসাইড স্টিভ’স ব্রেইন’’ বইটির লেখক লিন্ডার কেনি স্টিভ জবস প্রসঙ্গে জানান, স্টিভ জবসের ক্যারিয়ার ছিল অদ্ভুত ধরনের। মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত তাঁকে এতটা মেধাবী বলে স্মরণ করা হয়নি। তাঁর মতে, স্টিভ জবস অ্যাপলে ফিরে আইপড ও আইফোন বাজারে আনার আগ পর্যন্ত খুব বেশি প্রশংসা পাননি। কিন্তু এ দুটি পণ্য আনার পরই আধুনিক যুগের টমাস আলভা এডিসন হিসেবে প্রশংসিত হতে শুরু করেন তিনি।
স্টিভ জবসের মারা যাওয়ার এক বছর পূর্ণ হচ্ছে। স্টিভ জবসের স্থান কেউ নিতে পারবে কি না, তা সময়ই একদিন বলে দেবে। তবে প্রযুক্তি বিশ্বে স্টিভ জবসের মতো কেউ হতে পারবেন, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার কমতি নেই। যাঁরা হয়ে উঠতে পারেন পরবর্তী স্টিভ জবস, তাঁদের নিয়ে সিএনএন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

জেফ বেজোস, অ্যামাজনের প্রধান নির্বাহী
স্টিভ জবসের সমতুল্য হতে পারেন এমন কাউকে যদি মনে করা হয়, তবে সবার প্রথমে আসে অ্যামাজনের প্রধান নির্বাহী জেফ বেজোসের নাম। স্টিভ জবস যেমন অ্যাপল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করেছেন, তেমনি অ্যামাজনের ক্ষেত্রেও একই ভূমিকায় রয়েছেন জেফ বেজোস। তাঁকে স্টিভ জবসের মত ভবিষ্যৎদ্রষ্টা মনে করা হয়। কারণ, স্টিভ জবসের মতোই উদ্ভাবনী পণ্যের দিকে বেজোসের ঝোঁক রয়েছে। সম্প্রতি কিন্ডল ট্যাবলেট বাজারে এনে তিনি তা প্রমাণ করেছেন। প্রযুক্তিবিষয়ক ব্লগ কাল্ট অব ম্যাকের সম্পাদক কেনি বলেন, ‘জেফকে আমি চিনি। তাঁর অসাধারণ হাসি আর অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা একদিন স্টিভ জবসের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে বেজোসকে। কিন্তু তাঁর লক্ষ্যে এগোনোর দিক থেকে তিনি যান্ত্রিক। আর স্টিভ জবস হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে বেজোসের সীমাবদ্ধতা হচ্ছে, তাঁর প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তিপণ্য তৈরির ক্ষেত্রে মূল ঘরানার নয়। অ্যামাজন হচ্ছে অনলাইনে পণ্য বিক্রির প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে কতটা উদ্ভাবনী ক্ষমতার পরিচয় দেখাতে পারবে, তার ওপর নির্ভর করছে জেফ বেজোসের স্টিভ জবস হয়ে ওঠা।

মার্ক জাকারবার্গ, ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী
বাড়ির একটি গ্যারেজে স্টিভ জবস ও স্টিভ ওজনিয়াক মিলে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন অ্যাপল আর জাকারবার্গ ২০০৪ সালে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ডরমিটরিতে তৈরি করেন ফেসবুক। প্রতিষ্ঠালগ্নের দিক থেকে মিল রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের। সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ১০০ কোটি মানুষকে একসঙ্গে বেঁধে ফেলার কৃতিত্ব জাকারবার্গের। এদিক থেকে জাকারবার্গই সম্ভবত স্টিভ জবসের সমতুল্য হতে পারেন। এ ছাড়াও স্টিভ জবসের সঙ্গে মার্ক জাকারবার্গের মিল রয়েছে পোশাক পরার ধরনের ক্ষেত্রেও। জাকারবার্গের ধূসর টি-শার্ট, হুডির সঙ্গে জাকারবার্গের টার্টলনেক ট্রেডমার্কের মিল খুঁজে পান অনেকেই। কেনি জানান, দৃষ্টিভঙ্গিতে স্টিভ জবসের সঙ্গে মার্ক জাকারবার্গের মিল রয়েছে। তাই পরবর্তী স্টিভ জবস হতে পারেন তিনি। তবে স্টিভ জবস হয়ে ওঠার পক্ষে জাকারবার্গের সীমাবদ্ধতা হচ্ছে তিনি স্টিভ জবসের মতো জাদুকরি কোনো পণ্য মানুষের কাছে নির্দিষ্ট সময় অন্তর পৌঁছে দিতে পারবেন না। জাকারবার্গকে বরং পর্দার অন্তরালের একজন পরামর্শক হিসেবেই বিবেচনা করা যায়, যিনি পণ্য বিক্রি বা কোনো বিশেষ উপলক্ষে তাঁর তারকাখ্যাতি প্রকাশ করেন।

টিম কুক, অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী
ভবিষ্যত্ স্টিভ জবস হয়ে ওঠার বড় সুযোগ পেয়েছেন স্টিভ জবসের স্থলাভিষিক্ত অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক। অ্যাপলের প্রতিটি নতুন পণ্যের উদ্ভাবন আর অনুমোদন তাঁরই হাতে। অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী হিসেবে সবচেয়ে বড় মঞ্চ আর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতেও তিনি, যা তাঁকে একজন স্টিভ জবস করে তুলতে পারে। ইতিমধ্যে আইফোন৫ বাজারে এনে টিম কুক সবার নজর কেড়েছেন। শিগগিরই আইপ্যাডের ছোট একটি সংস্করণ বাজারে আনতে পারে অ্যাপল। স্টিভ জবস ভবিষ্যত্দ্রষ্টা হিসেবে ছোট পর্দার পণ্যের পক্ষে ছিলেন না। কিন্তু স্টিভ জবসের সাহচর্য পাওয়া ও ব্যবসায়িক দায়িত্ব পালন করা কুক হয়তো স্টিভ জবসের উল্টো পথে হেঁটেই স্টিভ জবস হয়ে উঠতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে তাঁর সীমাবদ্ধতা হচ্ছে তিনি উদ্ভাবনী ক্ষেত্রের চেয়ে ব্যবসায়িক দিক থেকে বেশি দক্ষ। তিনি হয়তো অ্যাপলের ভবিষ্যত্ তরী ঠিক পথে বাইতে পারবেন, তবে স্টিভ জবসের প্রত্যাশার ভার কতটা সইতে পারবেন, তাঁর ওপরই নির্ভর করবে স্টিভ জবস হয়ে ওঠার বিষয়টি।

জোনাথন আইভ, অ্যাপলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট
অসুস্থতার দরুন যখন অ্যাপল থেকে স্টিভ জবস অবসরে গেলেন, তখন অ্যাপলের ভার নিতে পারেন এমন ব্যক্তিদের মধ্যে প্রথম নামটি ছিল জোনাথন আইভের। অ্যাপল স্বপ্নদ্রষ্টা স্টিভ জবস ছাড়া অ্যাপল কি তাদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে? একটাই উত্তর, জবস নেই তাতে কী, অ্যাপলের প্রধান নকশা নির্বাহী জোনাথন আইভ তো আছেন। অ্যাপলের বর্তমান পণ্যগুলোর বৈপ্লবিক নকশা আইভের হাতেই করা। প্রচারমাধ্যমের আড়ালে থাকা জোনাথন আইভ ১৯৯৬ সাল থেকে তাঁর দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৬৭ সালে লন্ডনে জন্ম নেওয়া আইভ ২০১১ সালে ‘স্যার’ উপাধি পেয়েছেন। অ্যাপলে যোগ দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্যের ট্যানজারিন নকশা কোম্পানিতে কাজ করতেন। অ্যাপলে এসে পণ্যের নকশার বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন আইভ। আইভের নকশা করা প্রথম প্রজন্মের আইপড ‘মডার্ন আর্টস কালেকশন’ জাদুঘরে ঠাঁই পেয়েছে। আইভকে যাঁরা কাছ থেকে দেখেন, তাঁদের মতে, তিনি খুবই বুদ্ধিমান ও চুপচাপ। সূক্ষ্ম বিষয়গুলোর প্রতি নজর দেন তিনি। উদ্ভাবনী চিন্তার দিক থেকে তিনি স্টিভের কাছাকাছি যেতে পেরেছেন এবং প্রযুক্তির প্রতি স্টিভ জবসের ভালোবাসার কথা উপলব্ধি করেছেন তিনি।
কিন্তু পরবর্তী স্টিভ জবস হয়ে ওঠার জন্য জোনাথন আইভের ক্ষেত্রে বড় সীমাবদ্ধতা হচ্ছে তিনি প্রধান নির্বাহী বা প্রতিষ্ঠাতা নন। ৪৫ বছর বয়সী আইভের পক্ষে স্টিভ জবসের মতো হয়ে ওঠা হয়তো সম্ভব, তবে এ জন্য নতুন করে তাঁকে আরও দ্রুত ছুটতে হবে।

মারিসা মেয়ার, ইয়াহুর প্রধান নির্বাহী
সিলিকন ভ্যালিতে একজন নারীর পক্ষে পরবর্তী স্টিভ জবস হয়ে ওঠা অসম্ভব কিছু নয়। আর তিনি হলেন গুগল ছেড়ে সম্প্রতি ইয়াহুর প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব নেওয়া মারিসা মেয়ার। ২০০৮ সালে মাত্র ৩৩ বছর বয়সে বিশ্বের প্রভাবশালী সাময়িকী ‘ফরচুন’-এ প্রথমবারের মতো ৫০ জন প্রভাবশালী নারীর মধ্যে জায়গা করে নেন মারিসা মেয়ার। জানান দেন প্রযুক্তি দুনিয়ায় নিজের অবস্থান। এরপর ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালেও এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন। ১৯৭৫ সালের ৩০ মে জন্ম নেওয়া মারিসা সিম্বলিক সিস্টেমের ওপর স্নাতক ও কম্পিউটারবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১৯৯৯ সালে যোগ দেন তথ্য খোঁজার বিশ্বসেরা ওয়েবসাইট গুগলে। এই প্রতিষ্ঠানে তিনিই প্রথম নারী প্রকৌশলী। পরে কাজ করেন পরিচালনা পর্ষদের জ্যেষ্ঠ সদস্য হিসেবে। গুগলের সার্চ ইঞ্জিন (অনলাইনে তথ্য খোঁজার ওয়েবসাইট), মূল পাতা তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি তিনি কাজ করেছিলেন গুগলের মানচিত্রসেবায়ও। এর পাশাপাশি তিনি বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। এর মধ্যে রয়েছে কুপার-হিউইট, ন্যাশনাল ডিজাইন মিউজিয়াম, সানফ্রান্সিসকো মিউজিয়াম অব মডার্ন আর্ট, ওয়ালমার্ট ইত্যাদি। ২০০৯ সালে রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগকারী জ্যাকারি ভোগকে বিয়ে করেন। সম্প্রতি মা হয়েছেন তিনি। নিত্যনতুন উদ্ভাবন আর ব্যবসায়িক দিক থেকে অত্যন্ত সফল মেয়ার কাজ করতে পছন্দ করেন। নতুন চমক দিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বে তিনি হয়তো পরবর্তী স্টিভ জবস হয়ে উঠতে পারেন। তবে মেয়ারের ক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ইয়াহুকে বর্তমানে ফেসবুক ও গুগলের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হচ্ছে। ফেসবুকের প্রধান নির্বাহীর পদে এক বছরে চারজন বদল হয়েছেন। এমন একটি পরিস্থিতিতে ইয়াহু নিয়ে মেয়ার কতটা এগোতে পারবেন, তাঁর ওপর নির্ভর করছে মেয়ারের স্টিভ জবস হয়ে ওঠা।

এলন মাস্ক, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা
স্টিভ জবসের সঙ্গে প্রযুক্তি উদ্যোক্তা মাস্কের মিল পাওয়া যায় আত্মবিশ্বাসে। আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া এলন মাস্ক ১৭ বছর বয়সেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। মাত্র ১২ বছর বয়সেই তিনি অবশ্য ভিডিও গেম তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর বয়সের সঙ্গে এলন মাস্ক হয়ে ওঠেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা। তাঁর নামের পাশে লেখা যায় পেপালের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, টেসলা মোটর্স ও মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী হিসেবেও। তিনি নিজের প্রতিষ্ঠানের তৈরি মহাকাশ যানে করে মঙ্গলগ্রহ জয় করার স্বপ্ন দেখেন। স্টিভের মতোই আকাশছোঁয়া সম্ভাবনার আকাঙ্ক্ষা তাঁর মনে। তিনি তাঁর কাজকে পছন্দ করেন এবং দলনেতা হিসেবেও সফল। তাঁর পক্ষে স্টিভ জবস হয়ে ওঠা সম্ভব। স্টিভ জবসের মতোই মানুষের পছন্দের কথা ভেবে পণ্য তৈরিতে এলন মাস্কের ভূমিকার কারণে তিনিই পরবর্তী স্টিভ জবস হয়ে উঠতে পারেন। কিন্তু এলন মাস্ককে এ জন্য স্টিভ জবসের মতোই সাধারণ মানুষের পণ্য তৈরির জন্য কাজ করতে হবে।
 collection form news paper

Learning tips1

Increasing running of computer system
কম্পিউটারের র‌্যাম পরিস্কার (ক্লিন) করে এর গতি ধরে রাখা যায়। এ জন্য দুটি কাজ করতে হবে। এর একটি কাজ হলো নোটপ্যাডে।My Computer খুলে Tools-এ যান এবং Folder options-এ ক্লিক করুন। এবার যে উইন্ডো আসবে, সেটির View-এ ক্লিক করে Hide extension for known file type-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন।
এবার নোটপ্যাডের কাজ কীভাবে করতে হবে দেখে নিন। প্রথমে স্টার্ট মেনুতে গিয়ে নোটপ্যাড খুলুন। এতে লিখুন mystring=(80000000) এবং ডেস্কটপে সেইভ করুন RAM.Vbe নামে। এবার আপনি যখনই সময় পাবেন RAM.Vbe নামের ফোল্ডারটিতে ক্লিক করে র‌্যাম পরিস্কার করতে পারবেন।প্রতিবার প্রায় ৮০ শতাংশ গতি বাড়িয়ে নিতে পারবেন এ পদ্ধতিতে।

 
সিডি থেকে তথ্য পুনরুদ্ধার
অনেক সময় সিডি বা ডিভিডি পুরোনো হয়ে গেলে বা বেশি বেশি চালালে সিডির ফাইলগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তখন আর সেগুলো কপি করা যায় না। আপনার অনেক দরকারি তথ্য হয়তো কোনো সিডিতে রেখেছেন, কিন্তু সেই সিডি যদি আর না খোলে বা সেই তথ্যগুলো যদি আর পড়া না যায়, তা হলে সবই শেষ।
আপনি চাইলে ছোট একটি সফটওয়্যারের সাহায্যে সেই নষ্ট সিডির ফাইলগুলো কপি করতে পারেন। এর জন্য প্রথমে www.recoverytoolbox.com/cd.html ঠিকানা থেকে মাত্র ৬৫৫ কিলোবাইটের রিকভারি টুলবক্স সফটওয়্যারটি বিনা মূল্যে নামিয়ে (ডাউনলোড) ইনস্টল করে ওপেন করলে দেখবেন আপনার সিডি/ডিভিডি-রম ড্রাইভটি দেখা যাচ্ছে। এখন পরপর দুইবার নেক্সট-এ ক্লিক করলে দেখবেন আপনার সিডির ফাইলগুলো দেখা যাচ্ছে। এখন সবগুলো ফাইল কপি করতে চাইলে বাঁদিক থেকে সবগুলো বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে সেভ করুন। আবার নির্দিষ্ট কিছু ফাইল কপি করতে চাইলে বাঁদিক থেকে নির্দিষ্ট বক্সগুলোতে টিক চিহ্ন দিয়ে সেভ-এ ক্লিক করুন। ফাইলগুলো কপি হওয়ার পর সি ড্রাইভে গিয়ে দেখবেন CDRestored ফোল্ডারের ভেতর ফাইলগুলো সেভ হয়েছে এবং সেগুলো ভালো আছে।
 
পেনড্রাইভ থেকে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল
 ১০.১ ইঞ্চি বা তারচেয়ে ছোট মনিটরের নেটবুক কম্পিউটারে সাধারণত সিডি বা ডিভিডি-রম ড্রাইভ থাকে না। এখন যদি এগুলোতে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টলকরতে চান, তাহলে উপায় কী! উপায় হলো এক্সটারনাল সিডি অথবা ডিভিডি-রম ড্রাইভ ব্যবহার করা। এখন সেটি সব সময় হাতের কাছে নাও থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে আপনি যেটি করতে পারেন তা হলো, আপনার হাতের কাছের পেনড্রাইভটিকে কম্পিউটার চালু করার উপযোগী বা বুটেবল করে সেটি দিয়েউইন্ডোজ ইনস্টল করা।
এ জন্য প্রথমে আপনার পেনড্রাইভটি কম্পিউটারে যুক্ত করে উইন্ডোজের স্টার্ট মেনু থেকে রান কমান্ডে গিয়ে cmd লিখে এন্টার করুন।নতুন উইন্ডোতে লিখুন DISKPART। তাহলে নতুন আরেকটি উইন্ডো খুলবে। সেখানে LIST DISK লিখে এন্টার করুন।এবারে প্রথমে SELECT DISK 1 লিখুন। তারপর একে একে নিচের সংকেতগুলো লিখেদিন—
CLEAN
CREATE PARTITION PRIMARY
SELECT PARTITION 1
ACTIVE
FORMAT FS=NTFS
ASSIGN
EXIT
এবার এই উইন্ডো মিনিমাইজ করে রাখুন। তারপর উইন্ডোজ সেভেন ডিভিডি-রম ড্রাইভে ঢোকান।ধরে নিই আপনার ডিভিডি-রম ড্রাইভ ও পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার হলো যথাক্রমে I ও J ।
কমান্ড উইন্ডোতে ফিরে গিয়ে I: CD BOOT Ges CD BOOT লিখুন। এবারে BOOTSECT.exe /NT60 J: লিখে এন্টার করুন। এবারে ডিভিডির সব ফাইল পেনড্রাইভে কপি করে নিন, তা হলেই বুটেবল হয়ে যাবে পেনড্রাইভ এবং সরাসরি পেনড্রাইভ থেকেই ইনস্টল করতে পারবেন উইন্ডোজ সেভেন অপারেটিং সিস্টেম। তবে এই পদ্ধতি উইন্ডোজ এক্সপির জন্য নয়, শুধু উইন্ডোজ সেভেন, এইট ও ভিস্তার জন্য।

 


 

Risk password

Risk Password 2012
প্রযুক্তি গবেষকরা জানিয়েছেন, অন্যান্য বিষয়ে সবার পছন্দের সঙ্গে মিল রেখে চললেও কম্পিউটার পাসওয়ার্ডের ক্ষেত্রে স্বাতন্তর্্য থাকা অবশ্যই দরকার। অনলাইনের কোনো ধরনের অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সবচে বাজে পাসওয়ার্ডের তালিকা শীর্ষে রয়েছে ইংরেজিতে লেখা `পাসওয়ার্ড' শব্দটি। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল।
ইন্টারনেট নিরাপত্তা সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্প্ল্যাশডাটা চলতি বছরের সবচেয়ে বাজে পাসওয়ার্ডের এ তালিকা প্রকাশ করেছে।
স্প্ল্যাশডাটার তথ্য অনুযায়ী, এখনও হ্যাকারদের জন্য সহজেই অনুমেয় পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার রীতির পরিবর্তন ঘটেনি। ২০১১ সালের তালিকায় থাকা সবচে বাজে পাসওয়ার্ডের শীর্ষ তিনের মধ্যে কোনো অবস্থানগত পরিবর্তন ঘটেনি। ২০১১ সালের মতই এবারেও শীর্ষে রয়েছে `পাসওয়ার্ড'। পরের অবস্থানে রয়েছে `১২৩৪৫৬' ও `১২৩৪৫৬৭৮'।
২০১২ সালের বাজে পাসওয়ার্ড তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে `ওয়েলকাম' `নিনজা', `মাসটাং' ও `পাসওয়ার্ড১'।
স্প্ল্যাশডাটার প্রধান নির্বাহী মর্গান স্লেইন জানিয়েছেন, দুর্বল পাসওয়ার্ডের কারণে তথ্য চুরি হয়ে গেলে বিপদে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এ তালিকা প্রকাশ করায় সবচেয়ে বাজে পাসওয়ার্ডগুলোর ব্যবহারে মানুষকে সচেতন হবে এবং অনলাইনে দুর্বল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবে।
মর্গান স্লেইন পরামর্শ দিয়েছেন, বাজে পাসওয়ার্ড তালিকার কোনো পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে তা দ্রুত পরিবর্তন করে নিরাপদ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে। চলতি বছরের ইয়াহু, লিংকডইন, ই-হারমোনির মত ওয়েবসাইট হ্যাক করে পাসওয়ার্ড চুরি করেছে হ্যাকাররা। তাই অনলাইনে পাসওয়ার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতনতা জরুরি।

বাজে পাসওয়ার্ডের তালিকা-
১.password
 ২.১২৩৪৫৬
৩. ১২৩৪৫৬৭৮
৪.এবিসি১২৩
৫.কোয়ার্টি
৬.মাঙ্কি
৭.লেটমেইন
৮.ড্রাগন
৯.১১১১১১
১০. বেসবল
১১.আইলাভইউ
১২. ট্রাস্টনং১
১৩. ১২৩৪৫৬৭
১৪. সানসাইন'
১৫.মাস্টার
১৬. ১২৩১২৩
১৭. ওয়েলকাম
১৮. শ্যাডো
১৯. অ্যাশলি
২০. ফুটবল
২১. জেসাস
২২. মাইকেল
২৩. নিনজা
২৪. মাসটাং
২৫. password১

Virtual Recharge

Information of google in virtual journing
বিশ্বখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন গুগলের রয়েছে আধুনিক এবং সবচেয়ে বড় তথ্যকেন্দ্র (ডেটা সেন্টার)। তথ্য খোঁজা এবং নানা ধরনের অনলাইনসেবা প্রদানকারী এ সংস্থাটির প্রতিনিয়তই প্রয়োজন হয় নানা ধরনের তথ্য আদান-প্রদানের। গুগলের তথ্যকেন্দ্র সাধারণ ব্যবহারকারীদের দেখার কোনো সুযোগ ছিল না। সম্প্রতি গুগল সে সুযোগ করে দিয়েছে। তথ্যকেন্দ্রটির অভ্যন্তরের নানা বিষয় সম্প্রতি ভার্চুয়াল ভ্রমণের সাহায্যে দেখার সুযোগ করে দিয়েছে গুগল।
কীভাবে সারিবদ্ধভাবে রয়েছে গুগলের সার্ভার, কুলিং সিস্টেমের জন্য রাখা ব্যবস্থা, কয়েক মাইলজুড়ে থাকা ইন্টারনেট কেব্লে এমন সব বিস্ময়কর কার্যক্রম দেখা যাবে ভার্চুয়াল ভ্রমণের মাধ্যমে। এ ছাড়া দেখা যাবে, যাঁরা বিশাল এ তথ্যকেন্দ্রগুলো পরিচালনা করছেন তাঁদেরও। উত্তর ক্যারোলাইনা থেকে শুরু করে ফিনল্যান্ড পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত তথ্যকেন্দ্রের বাহ্যিক চিত্রও দেখা যাবে এ ভার্চুয়াল ভ্রমণে। তথ্যকেন্দ্র সম্পর্কিত নানা তথ\্য পাওয়া যাবে www.google.com/about/datacenters ঠিকানায়। এ ছাড়া আগ্রহীরা ভার্চুয়াল ভ্রমণ করতে পারবেন এ www.google.com/about/datacenters/gallery ঠিকানায় গিয়ে।

Learning Tips

এমএস ওয়ার্ডের কয়েকটি শর্টকাট
Ctrl+N = নতুন কোনো ডকুমেন্ট খোলার জন্য।
Ctrl+O = আগে তৈরি করা কোনো ফাইল খোলার জন্য।
Ctrl+P = ডকুমেন্ট প্রিন্ট।
Ctrl+Q = প্যারাগ্রাফের মাঝে স্পেসিং করার জন্য।
Ctrl+R = টেক্সটকে রাইট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl+S = ফাইল সেভ।
Ctrl+T = ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য।
Excel Tips
হিসাব করার সফটওয়্যার এমএস এক্সেলে যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ—গাণিতিক সব রকমের কাজকর্ম খুব সহজেই করা যায়। যেকোনো কঠিন গাণিতিক কার্যাবলিকে সূত্র প্রয়োগের মাধ্যমে সহজ করা যায়। এক্সেলে গুণ ও ভাগ করা একেবারেই সহজ। প্রথমে একটি এক্সেল ওয়ার্কশিট খুলুন। আপনার প্রয়োজনীয় সংখ্যা বা ডেটা লিখুন। গুণ ও ভাগ দুই পদ্ধতিতে করা যায়। একটি হলো সূত্র প্রয়োগ করে এবং অপরটি সরাসরি।
গুণফল: A1 থেকে A5 ফিল্ড পর্যন্ত ৫, ১০, ১৫, ২০, ২৫ লিখুন। এরপর B1 থেকে B5 ফিল্ড পর্যন্ত ২, ৩, ৪, ৫, ৬ লিখুন। এবার C1 ফিল্ডে কারসর রেখে লিখুন =Max(A1*B1)। এন্টার করুন। ফলাফল ১০ দেখা যাবে। এবার C1 ফিল্ডে কারসর রেখে মাউস নিচে ধরলে + চিহ্ন আসবে। মাউস ওই অবস্থায় ধরে টেনে C5 ফিল্ড পর্যন্ত এনে ছেড়ে দিন অন্যান্য ফলাফল অর্থাৎ ৩০, ৬০, ১০০, ১৫০ দেখা যাবে।
আবার অন্য নিয়মেও এ কাজ করা যায়। A1 থেকে A5 ফিল্ড পর্যন্ত ৫, ১০, ১৫, ২০, ২৫ লিখুন। তারপর B1 থেকে B5 ফিল্ড পর্যন্ত ২, ৩, ৪, ৫, ৬ লিখুন। এরপর C1 ফিল্ডে কারসর রেখে টাইপ করুন = 5*2 এবং এন্টার করুন। ফলাফল বের হবে। এভাবে আলাদা আলাদাভাবে লিখে বাকিগুলোর গুণফল বের করা যাবে।

ভাগফল: A1 থেকে A5 ফিল্ড পর্যন্ত ১০০, ২৫০, ৩০০, ৩৫০, ৫০০ লিখুন। এরপর B1 থেকে B5 ফিল্ড পর্যন্ত ৫, ১০, ৫, ১০, ২৫ লিখুন। এরপর C1 ফিল্ডে কারসর রেখে লিখুন = A1/B1 এবং এন্টার করুন। ফলাফল ২০ দেখা যাবে। এবার C1 ফিল্ডে কারসর রেখে মাউস নিচে ধরলে + চিহ্ন এলে মাউস ওই অবস্থায় ধরে টেনে C5 ফিল্ড পর্যন্ত এনে ছেড়ে দিন অন্যান্য ফলাফল তথা ২৫, ৬০, ৩৫, ২০ দেখা যাবে।
বিকল্প নিয়ম: A1 ফিল্ড থেকে A5 ফিল্ড পর্যন্ত ১০০, ২৫০, ৩০০, ৩৫০, ৫০০ লিখুন। তারপর B1 থেকে B5 ফিল্ড পর্যন্ত ৫, ১০, ৫, ১০, ২৫ লিখুন। এবার C1 ফিল্ডে কারসর রেখে টাইপ করুন =100/5 এবং এন্টার করুন। ফলাফল বের হবে। এভাবে আলাদা আলাদাভাবে লিখে বাকিগুলোর ভাগফল বের করা যাবে
Gmail check without Internet connection
ইন্টারনেটে কাজ করছেন। হঠাৎ কোনো কারণে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল বা ইন্টারনেটের গতি খুব ধীর হলো। কিন্তু তখনই আপনার জিমেইলে আসা ই-মেইল দেখা খুবই জরুরি। কী করবেন? জিমেইলে ‘অফলাইন মোড’ নামে একটি সুবিধা আছে, যেটা সক্রিয় করে রাখতে পারেন। তাহলে অফলাইনেও জিমেইল দেখতে পারবেন। অফলাইন মোড সক্রিয় অ্যাকটিভ করার জন্য প্রথমে ওয়েবসাইট দেখার জন্য গুগল ক্রোম সফটওয়্যার কম্পিউটারে ইনস্টল করে নিতে হবে। এখন http://goo.gl/yPOg3 ঠিকানার ওয়েবসাইটে গিয়ে ওপরে ডান পাশ থেকে জিমেইলে সাইনইন করুন। তারপর ওপরে ডান পাশ থেকে Add to Chrome-এ ক্লিক করুন। ছোট একটি সফটওয়্যার ইনস্টল করতে বললে ইনস্টল করুন। এখন ওপরে ডান পাশ থেকে Launch App-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Allow offline mail নির্বাচন করে Continue-এ ক্লিক করুন। এখন অফলাইন মোডে আপনার জিমেইলের ইনবক্স দেখতে পাবেন। এই পেজই হলো অফলাইন মোডে জিমেইল। সম্পূর্ণ জিমেইল, অর্থাৎ ইনবক্স, আউটবক্স, সেন্ট মেইল, ড্রাফটস, ক্যালেন্ডার, ডক্স, স্প্রেডশিট ইত্যাদি দেখতে চাইলে বা সম্পাদনা করতে চাইলে ওপরে ডান পাশে Menu-তে ক্লিক করুন। কারও কাছে ই-মেইল পাঠাতে হলে Compose-এ ক্লিক করে পাঠাতে পারবেন। Compose-এ ক্লিক করে মেইলটি লিখে Send-এ ক্লিক করলে আপনার ই-মেইলটি যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে আউট বক্সে থেকে যাবে। যখনই আপনার ব্রাউজার ইন্টারনেট কানেকশন পাবে, সঙ্গে সঙ্গে আপনার মেইলটি অটো চলে যাবে।
এখন থেকে আপনি ইন্টারনেটে কাজ করার সময় যদি কখনো আপনার ইন্টারনেট সংযোগ চলে যায় বা ইন্টারনেটের গতি খুব কম থাকে, তাহলে আপনার জিমেইল অটো অফলাইন মোডে চলে যাবে এবং আপনি ওপরে Menu-তে ক্লিক করে জিমেইলের সবকিছু চেক করতে পারবেন। 
 

Introduce with blog writer

I m Raza Khalad Mahmud.
Date of Birth 1984
Education=Information Technology, Arabic studied, Accounting, Drawing, Bangla.
Object= Service of people

About Life Power

1. Education
2. Family
3. Social
4. Adda
5. Journey
6. IT information
7. Training
8. World Information
9. Economical Information
10. Ex-port Information
Etc