বৃটেনের রিচার্ড
ডটি (৫৯) নামের এক ব্যক্তি বেশ অল্প ক্যালোরিসম্পন্ন খাবার খেয়ে ১১ দিনেই ডায়াবেটিস
থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তার ডায়েট চার্টটিও দিয়েছেন। যা যা খেতেন, তার তালিকা একেবারেই
ছোট। ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা কখনও সম্পূর্ণ নির্মূল হয়
না। এমন প্রচলিত ধারণাকে পাল্টে দিয়েছেন রিচার্ড। মানুষ শরীর থেকে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে বিভিন্ন ডায়েট পরিকল্পনা
করে। কিন্তু তিনি প্রায় অভুক্ত থাকার ডায়েটেই নিরোগ শরীর পেলেন। রিচার্ড লম্বায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি ও তার ওজন ৬৭ কেজি। রুটিনমাফিক স্বাস্থ্য-পরীক্ষা করান তিনি। শেষবার যখন পরীক্ষা করালেন, ফলাফলে রীতিমতো চমকে উঠলেন তিনি। রিপোর্টে জানা গেলো, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। রিচার্ডের বংশে কারও ডায়াবেটিস ছিল না। তার ওজনও অতিরিক্ত নয়। তিনি সবসময় সুষম
ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন। জীবনে কখনও সিগারেট স্পর্শ করেননি। এতোসব সত্ত্বেও ডায়াবেটিস ধরা পড়লে,
যে কারও চোখই কপালে উঠবে। রিচার্ডেরও তাই হলো। তিনি রীতিমতো কিংকর্তব্যবিমূঢ়। ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি
পেতে এবার শুরু হলো তার নিরন্তর প্রচেষ্টা। ইন্টারনেটে সমাধান খুঁজলেন। নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটির
বিজ্ঞানীদের তৈরি করা একটি স্বল্প ক্যালোরিসম্পন্ন ডায়েটের সন্ধান পেলেন তিনি। ওই বিজ্ঞানীদের দাবি, এ ডায়েট অনুসরণে
৮ সপ্তাহেই ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নির্মূল সম্ভব। ওই ডায়েটের মধ্যে ছিল ৬০০ ক্যালোরির মিল্ক শেক ও স্যুপ এবং ২০০ ক্যালোরির সবজি। আর দিনে ৩ লিটার পানি পান। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই। রিচার্ড জানান, একটা স্যুপ, দুটো শেক আর সবুজ শাক-সবজির খেয়ে বেঁচে থাকাটাকে প্রথম দিকে বেশ দুঃসাধ্য কাজ মনে
হয়েছিল তার কাছে। তবে তিনি হাল ছাড়লেন না। টানা ১১ দিন এ ডায়েট অনুসরণ করলেন। অকল্পনীয় হলেও সত্যি! তার রক্তে সুগারের পরিমাণ স্বাভাবিক
হয়ে গেলো। অর্থাৎ, নন-ডায়াবেটিক লেভেলে নেমে আসলো ব্লাড সুগার। এ সময়টায় রিচার্ডের ওজন কমেছিল। এরপর তিনি ফের ডায়াবেটিস
পরীক্ষা করে দেখলেন তার শরীর থেকে ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নির্মূল হয়েছে। দীর্ঘদিন পরও তিনি একেবারেই ডায়াবেটিস মুক্ত। আর ওজনটাকে তিনি ৫৭ কেজির মধ্যেই ধরে রেখেছেন। রিচার্ড ডটির এ সাফল্য নিঃসন্দেহে বিশ্বের কোটি কোটি
ডায়াবেটিস আক্রান্ত মানুষকে নতুন পথের সন্ধান দেবে। একই বা কাছাকাছি পথ অনুসরণ করে অনেকেই হয়তো নিরোগ জীবন ফিরে পাবেন।১১ দিনেই রিচার্ডের ডায়াবেটিস নির্মূল, অভাবনীয় ডায়েট
বৃটেনের রিচার্ড
ডটি (৫৯) নামের এক ব্যক্তি বেশ অল্প ক্যালোরিসম্পন্ন খাবার খেয়ে ১১ দিনেই ডায়াবেটিস
থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তার ডায়েট চার্টটিও দিয়েছেন। যা যা খেতেন, তার তালিকা একেবারেই
ছোট। ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা কখনও সম্পূর্ণ নির্মূল হয়
না। এমন প্রচলিত ধারণাকে পাল্টে দিয়েছেন রিচার্ড। মানুষ শরীর থেকে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে বিভিন্ন ডায়েট পরিকল্পনা
করে। কিন্তু তিনি প্রায় অভুক্ত থাকার ডায়েটেই নিরোগ শরীর পেলেন। রিচার্ড লম্বায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি ও তার ওজন ৬৭ কেজি। রুটিনমাফিক স্বাস্থ্য-পরীক্ষা করান তিনি। শেষবার যখন পরীক্ষা করালেন, ফলাফলে রীতিমতো চমকে উঠলেন তিনি। রিপোর্টে জানা গেলো, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। রিচার্ডের বংশে কারও ডায়াবেটিস ছিল না। তার ওজনও অতিরিক্ত নয়। তিনি সবসময় সুষম
ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন। জীবনে কখনও সিগারেট স্পর্শ করেননি। এতোসব সত্ত্বেও ডায়াবেটিস ধরা পড়লে,
যে কারও চোখই কপালে উঠবে। রিচার্ডেরও তাই হলো। তিনি রীতিমতো কিংকর্তব্যবিমূঢ়। ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি
পেতে এবার শুরু হলো তার নিরন্তর প্রচেষ্টা। ইন্টারনেটে সমাধান খুঁজলেন। নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটির
বিজ্ঞানীদের তৈরি করা একটি স্বল্প ক্যালোরিসম্পন্ন ডায়েটের সন্ধান পেলেন তিনি। ওই বিজ্ঞানীদের দাবি, এ ডায়েট অনুসরণে
৮ সপ্তাহেই ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নির্মূল সম্ভব। ওই ডায়েটের মধ্যে ছিল ৬০০ ক্যালোরির মিল্ক শেক ও স্যুপ এবং ২০০ ক্যালোরির সবজি। আর দিনে ৩ লিটার পানি পান। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই। রিচার্ড জানান, একটা স্যুপ, দুটো শেক আর সবুজ শাক-সবজির খেয়ে বেঁচে থাকাটাকে প্রথম দিকে বেশ দুঃসাধ্য কাজ মনে
হয়েছিল তার কাছে। তবে তিনি হাল ছাড়লেন না। টানা ১১ দিন এ ডায়েট অনুসরণ করলেন। অকল্পনীয় হলেও সত্যি! তার রক্তে সুগারের পরিমাণ স্বাভাবিক
হয়ে গেলো। অর্থাৎ, নন-ডায়াবেটিক লেভেলে নেমে আসলো ব্লাড সুগার। এ সময়টায় রিচার্ডের ওজন কমেছিল। এরপর তিনি ফের ডায়াবেটিস
পরীক্ষা করে দেখলেন তার শরীর থেকে ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নির্মূল হয়েছে। দীর্ঘদিন পরও তিনি একেবারেই ডায়াবেটিস মুক্ত। আর ওজনটাকে তিনি ৫৭ কেজির মধ্যেই ধরে রেখেছেন। রিচার্ড ডটির এ সাফল্য নিঃসন্দেহে বিশ্বের কোটি কোটি
ডায়াবেটিস আক্রান্ত মানুষকে নতুন পথের সন্ধান দেবে। একই বা কাছাকাছি পথ অনুসরণ করে অনেকেই হয়তো নিরোগ জীবন ফিরে পাবেন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment