ট্যাটুতে ব্যবহৃত কালি রক্তের সাথে মিশে ক্যান্সারের জন্ম দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। ট্যাটুর কালিতে থাকা বিষাক্ত পদার্থ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন রক্তপ্রবাহের মধ্যে মিশে যাওয়া কালির বিষাক্ততা মানবদেহে কিডনির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যহত করে। ট্যাটু করতে ব্যবহৃত কালিতে ক্যান্সার উৎপাদন করে এমন সব পদার্থ সণাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন গবেষকরা। ইংল্যান্ডের পাবলিক হেল্থ জানিয়েছে কোন কোন কালিতে কোবাল্ট ও পারদের মত ধাতু পাওয়া গেছে। ধূমপান এবং সানবাথ প্রোডাক্টের মত ট্যাটুর ক্ষেত্রেও বিজ্ঞানীরা নীতিমালা আরোপের দাবি জানিয়েছেন। ব্রাডফোর্ড ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর স্কিন সাইন্সের পরিচালক ডেসমন্ড টোবিন সানডে টাইমসকে বলেন, ট্যাটুর কালির ব্যাপারে কোন নিয়মকানুন নেই জেনে তিনি রীতিমতো স্তম্ভিত। প্রাপ্তবয়স্ক ২০ শতাংশ বৃটিশদের শরীরে ট্যাটু রয়েছে। গত মাসে ট্যাটু ইন্ডাষ্ট্রির জন্য পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ড নতুন নিয়ম কানুন প্রকাশ করেছে। সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়, ট্যাটু কাজে ব্যবহৃত যেসব কালি বেচাকেনা হয় যেগুলোতে অনেক সময় দেখা যায় ওই প্রডাক্ট সম্পর্কে কোন তথ্যই উল্লেখ থাকে না। গবেষকরা লাল কালির মধ্যে পারদ এবং নীল ও সবুজ কালির মধ্যে কোবাল্ট সণাক্ত করেছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। কোপেনহেগেন ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের ডার্মেটোলজি বিভাগের প্রফেসর জর্গেন সিরাপ তার গবেষণায় পেয়েছেন, ইউরোপে বহুল ব্যবহৃত ২১ টি কালির মধ্যে ১৩ টি কালিতেই ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থ পাওয়া গেছে। কালো রংয়ের কালি তৈরীর জন্য বেনজোপাইরিন নামক এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় যা স্কিন ক্যান্সারের জন্য দায়ী।Manabzamin
No comments:
Post a Comment